শিরোনাম

হাওররক্ষা বাঁধে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে ধর্মপাশায় গণ-সমাবেশ

প্রকাশিত: ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০২৬

হাওররক্ষা বাঁধে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে ধর্মপাশায় গণ-সমাবেশ

সেলিম আহম্মেদ, ধর্মপাশা:  হাওররক্ষা বাঁধে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন ধর্মপাশা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় নতুন উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে এ গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ ও সহ-সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী।
হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের ধর্মপাশা উপজেলার আহ্বায়ক শাহ্ কুতুবের সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ধর্মপাশা উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব শাকিন শাহ্, সাতারিয়া পাতারিয়া  হাওরের কৃষক মুজিবুর রহমান, টগার হাওরের কৃষক ধন মিয়া, সইলচাপা হাওরের কৃষক উজ্জ্বল মিয়া, বাঘরার হাওরের কৃষক মোঃ আল আমিন, চিসরার হাওরের কৃষক ধন মিয়া, টঙ্গী বাঁধ এলাকার আনোয়ার হোসেন।

আরো বক্তব্য রাখেন মধ্যনগর  উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন হিল্লোল, ধর্মপাশা উপজেলা কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইমাম হোসেন, আব্দুল আউয়াল, শামীম আহমদ, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জয়শ্রী ইউনিয়নের আহ্বায়ক শাহীন মাহমুদ, পাইকুরাটি ইউনিয়নের আহ্বায়ক সাফাওয়াত হোসেন,সদস্য সচিব মাছুম আহমদ, সেলবরষ ইউনিয়নের আহ্বায়ক টিটু মিয়া,  সদর ইউনিয়নের সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সাতারিয়া পাতারিয়া হাওর, টগার হাওর, সইলচাপা, বাঘরার হাওর, চিসরার হাওর, সোনামড়ল, টঙ্গী বাঁধ এলাকার হাওরসহ অন্যান্য হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় বহু কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে, কৃষকরা জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ উদ্যোগে পাম্প দিয়ে পানি অপসারনের চেষ্টা অব্যাহত আছে, এতে কারো সহযোগিতা পাচ্ছেন না, তাদের ক্ষতিপূরণ নিরুপন করে দ্রুত ক্ষতিপূণের দাবি জানান। এই উপজেলায় খাল ও নদী খনন দ্রুত শুরু করতে হবে, প্রয়োজনীয় জায়গায় সুইচ গেইট নির্মাণ করতে হবে। হাওররক্ষা বাঁধ নির্মাণে পিআইসি গঠন থেকে শুরু করে কাজের প্রাথমিক পর্যায়েই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিয়মান ছিলো। অতিরিক্ত বরাদ্দ, নিম্নমানের কাজ এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে ধরেন বক্তারা। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন প্রতিবাদ জানিয়ে আসলেও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। বক্তারা আরো বলেন, অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মানের ফলে সুনামগঞ্জে হাজার হাজার হেক্টর বোরো ফসলি জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে, কৃষকরা সেই ধান আর রক্ষা করতে পারবেন কিনা শঙ্কায় আছেন। এই অপরিকল্পিত বাঁধ ও অপ্রয়োজনীয় পিআইসির কারণে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে, যারা এই অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান ও সুনামগঞ্জ থেকে তাদের অপসারণের দাবি জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ