মোয়াজ্জেমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ফলাফল নিয়ে আত্মসমালোচনার সময় এখনই; ‘সামায়ুন কবির’
প্রকাশিত: ৬:০৩ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: মোয়াজ্জেমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম ও একাডেমিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে। এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে ৮৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ১৯ জন। এতে বিদ্যালয়ের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ৬২ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র একজন শিক্ষার্থী।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এমন ফলাফল নিঃসন্দেহে হতাশাজনক। তবে এই ফলাফলকে শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা হিসেবে দেখলে সমস্যার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাঠদানের মান ও ধারাবাহিকতা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা, অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা এবং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক একাডেমিক ব্যবস্থাপনা—এসব বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
এ অবস্থায় কাউকে এককভাবে দোষারোপ না করে আত্মসমালোচনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি পিছিয়ে পড়েছে, কোথায় ঘাটতি ছিল এবং কেন প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জিত হয়নি—এসব বিষয় নিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে আলোচনা করা দরকার।
শিক্ষার মানোন্নয়নে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস, নিয়মিত পরীক্ষা ও মূল্যায়ন, অভিভাবক-শিক্ষক যোগাযোগ এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মতো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
মোয়াজ্জেমপুর উচ্চ বিদ্যালয় এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাই এবারের ফলাফল নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিদ্বেষ থেকে নয়; বরং শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করার প্রত্যাশা থেকেই।
সাবেক শিক্ষার্থী সামায়ুন কবির বলেন, আগামী দিনে বিদ্যালয়টি আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে—এটাই প্রত্যাশা। এজন্য বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিকদের গঠনমূলক আলোচনা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদন: সামায়ুন কবির
সাবেক শিক্ষার্থী, মোয়াজ্জেমপুর উচ্চ বিদ্যালয়