নিজস্ব প্রতিবেদক: রংগারচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বুলবুলকে ঘিরে জমি দখল, প্রতারণা, পারিবারিক সহিংসতা, মানব পাচার ও চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ‘বনগাঁও বাজার এর খবর’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি পোস্টে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
প্রকাশিত পোস্টে বলা হয়, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জায়গা-জমি দখলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এরই ধারাবাহিকতায় বুলবুলের বিরুদ্ধে রংগারচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রয়াত জুলহাস নূর চৌধুরীর বোন প্রয়াত হেনা বেগমের রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তির প্রায় ৪০ শতাংশ জায়গা জোরপূর্বক দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ ও দীর্ঘদিন ভোগদখলের অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে আরও দাবি করা হয়, সম্পত্তির উত্তরসূরি সুদূর লন্ডনে বসবাস করায় তারা আইনি সহায়তা পেতে সমস্যার মুখে পড়ছেন।
পোস্টে বুলবুলের বিরুদ্ধে গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে পাসপোর্ট করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। সেখানে কালিদহছেদ নগরের মোতালেবের ছেলে রোকমানের কাছ থেকে আর্জেন্ট পাসপোর্ট করে দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আপন বোনের জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের সময় তার গর্ভধারিণী মাকে কামড় দিয়ে কান কেটে দেওয়ার অভিযোগও পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনার সূত্র ধরে তাকে অনেকে ‘কানকাটা বুলবুল’ নামে ডাকেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় মিজান নামের এক দালালের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতে নারী পাচারের সঙ্গেও বুলবুল জড়িত—এমন অভিযোগও পোস্টে করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় চোরাচালানের চিনিসহ র্যাবের তৎপরতার সময় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে কোমরে ব্যথা পাওয়ার একটি ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট একটি ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত হয়েছে। অভিযুক্ত বুলবুলের বক্তব্যও নিতে একাধিক কল করলেঔ তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাই বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্পাদক: কবি ইমদাদুন খান (লন্ডন প্রবাসি বিশিষ্ট সমাজকর্মী )
সহ সম্পাদক : জাকিয়া সুলতানা মনি